হোম আমাদের লক্ষ্য ইভেন্টস জিজ্ঞাসা যোগাযোগ
যুক্ত হোন →

সাহিত্য রস ক্লাবে স্বাগতম

মনন জাগানিয়া সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মানবিকতার বিশ্বজনীন মঞ্চ। আমাদের সাথে যুক্ত হোন এবং আপনার সৃজনশীল সত্ত্বাকে উন্মোচন করুন।

আমাদের লক্ষ্য

যে উদ্দেশ্যগুলোকে সামনে রেখে আমরা কাজ করে যাচ্ছি

ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা, সংরক্ষণ ও মানোন্নয়নে কাজ করা।
নিয়মিত সাহিত্য আড্ডা, পাঠচক্র ও সেমিনার আয়োজন করা।
বার্ষিক সাহিত্য পত্রিকা, ম্যাগাজিন, স্মরণিকা ও দেওয়ালিকা প্রকাশ করা।
বইমেলাসহ বিভিন্ন মেলায় অংশগ্রহণ ও স্টল স্থাপন করা।
নবীন লেখকদের উৎসাহিত করা এবং দুস্থ সাহিত্যিকদের সহায়তা প্রদান করা।
আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য জনকল্যাণমূলক কাজ করা।

ইভেন্টস ও আপডেট

আমাদের সর্বশেষ কার্যক্রম এবং আয়োজন

আপনার লেখা পাঠাতে চান?

কবিতা, ছন্দ, গান, গল্প, সাহিত্য ব্লগ, সাহিত্য আলোচনা, চিঠি, দিনলিপি অথবা সাহিত্য নিউজ—আপনার যেকোনো সৃজনশীল লেখাটি আমাদের পাঠিয়ে দিন।

লেখা পাঠান

সাধারণ জিজ্ঞাসা

‘সাহিত্য রস ক্লাব’ কী ধরনের সংগঠন এবং এর মূল লক্ষ্য কী?
এটি একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও স্বেচ্ছাসেবী সাহিত্য-সাংস্কৃতিক এবং সমাজকল্যাণমূলক সংগঠন। এর প্রধান লক্ষ্য হলো ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা, সংরক্ষণ ও মানোন্নয়নে কাজ করা, নবীন লেখকদের উৎসাহিত করা এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য জনকল্যাণমূলক কাজ করা।
কারা ‘সাহিত্য রস ক্লাবে’র সদস্য হতে পারবেন?
জাতি, ধর্ম, ও বর্ণ নির্বিশেষে সাহিত্য ও সংস্কৃতির অনুরাগী দেশি বা বিদেশি যেকোনো নাগরিক সদস্য হতে পারবেন। যেকোনো বয়সের সাহিত্যপ্রেমী মানুষ আবেদন করতে পারেন, তবে আবেদনকারীকে মানসিকভাবে সুস্থ, সচ্চরিত্রের অধিকারী এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্রের প্রতি পূর্ণ আস্থাশীল হতে হবে।
সদস্যপদ পাওয়ার প্রক্রিয়া কী এবং কোনো ফি দিতে হয় কি?
সংগঠনের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে (এখানে ক্লিক করুন)। আবেদনপত্র কার্যনির্বাহী পরিষদের যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের পরই সদস্যপদ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। সকল সদস্যকে (কার্যনির্বাহী সদস্যসহ) নির্ধারিত মাসিক চাঁদা প্রদানে সম্মত থাকতে হবে।
একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে প্রধান কর্তব্যগুলো কী কী?
একজন সদস্যের প্রধান কর্তব্য হলো সংগঠনের গঠনতন্ত্র, নীতিমালা এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মেনে চলা। এছাড়াও, নির্ধারিত মাসিক বা বার্ষিক চাঁদা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিশোধ করা এবং সাধারণ সভা ও বার্ষিক সাধারণ সভায় (AGM) নিয়মিত উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক।